mango-calendar-published-by-rajshahi-dc

রাজশাহীতে ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার প্রকাশ করলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক

ষ্টাফ রিপোর্টার, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: রাজশাহীতে ভেজালমুক্ত ও পরিপক্ব আম নিশ্চিত করতে ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আম সংগ্রহ, পরিবহন,বিপণন ও বাজারজাত মনিটরিং সংক্রান্ত সভায় আম নামানোর তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ। রাজশাহীতে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ গনমাধ্যমকে জানান - রাজশাহী অঞ্চলের কৃষক, কৃষি অধিদপ্তর ও ফল গবেষকদের মতামতের ভিত্তিতে আম পাড়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
Rajshahi_Pet_Care
mango-is-the-cause-of-disease-release-and-disease-creation

‘আম’ যেভাবে রোগ মুক্তি এবং রোগ সৃষ্টির কারন

স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিবেদক, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: আম আমাদের দেশের জাতীয় ফল। আম এমনই একটা লোভনীয় খাদ্য যেটা কেউ পছন্দ করেন না এরকম পাওয়াই যায় না। আম সকলেই পছন্দ করেন। আর আম বিভিন্ন রকমের হয়। যেমন ফজলী, হিমসাগর, ল্যাংড়া, আমরুপালী ও আশ্বিনা ইত্যাদি। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই আমার মনে হয় হিমসাগর আমটা বেশি পছন্দ করেন। আম যেমন খান না কেন কাঁচায় খান না কেন আর পাকায় খান না কেন প্রত্যেক ভাবেই শরীরে উপকার করে থাকে আম। অনেক ক্ষেত্রে পাকা আমের চেয়ে কাঁচা আমের গুণ অনেক বেশি। কাঁচা আম বেশি করে খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে কারণ কাঁচা আমের উপকারিতা বেশি। কাঁচা আম আমাদের শরীরকে সুস্থ এবং রোগ মুক্ত রাখতে সাহায্য করে। আজকের এই প্রতিবেদনে এমনটিই জানাচ্ছেন দেশের খ্যাতিমান পুষ্টিবিদ আয়শা সিদ্দিকা। 
mango-market-in-rajshahi-sells-for-rs-8-crore-per-day

রাজশাহীতে আমের বাজারে প্রতিদিন কেনাবেচা ৮ কোটি টাকা

থানা প্রতিনিধি, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: রাজশাহীর বানেশ্বর হাটে আম চাষি ও ব্যবসায়ীর সংখ্যা কয়েক হাজার। প্রতিদিন বাঘা, চারঘাট, পুঠিয়া, দুর্গাপুর, বাগমারা, পবা নাটোরের বাগাতিপাড়া, লালপুর থেকে আম চাষি, বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা এখানে আম কেনাবেচা করতে আসছেন। এই হাট থেকেই প্রতিদিন বিক্রি আমের বিকিকিনি হচ্ছে প্রায় ৬কোটি  টাকার। এছাড়াও রাজশাহীর নগরীসহ বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজারের আড়ত ও দোকানে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ কোটির টাকার আম। সে হিসাবে রাজশাহীতে প্রতিদিন প্রায় ৮ কোটি কোটি টাকার আম বেচাকেনা হচ্ছে। আমের বাজার নিয়ে বিক্রেতা-ব্যবসায়ীরা খুশি হলেও ক্রেতারা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর আমের বাজার বেশ চড়া। গত দুই বছরে গোপালভোগ ছিল মণপ্রতি ১২শ থেকে ১৬শ টাকার মধ্যে। ক্ষীরসাপাত ও ল্যাংড়ার দামও ছিল কাছাকাছি। কিন্তু এ বছর শুরু থেকেই এর প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে আম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই বছরে আমের ব্যবসা খুব খারাপ গেছে। এবার আমের ফলনও হয়েছে কম। তাই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। সে কারণেই আমের দাম বেশি।