এডিট করে অশ্লীল ছবি ছড়ানোয় তিন তরুণের ৬ বছরের জেল

উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের সংবাদটি শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :-  রাজশাহীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় তিন তরুণকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আলাদা দুটি ধারায় তাদের ছয় বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আলাদা দুটি ধারায় তাদের প্রত্যেককে আট লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। রোববার দুপুরে রাজশাহী সাইবার ট্রাইবুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান এ রায় দেন।

 

 

 

 

 

দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- শুভাশিষ রায় কনক, শিহাবুর রহমান ওরফে শিহাব এবং আরিফুল ইসলাম আলিফ। তাদের বাড়ি বগুড়া। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর বগুড়া সদর থানায় এই মামলা হয়েছিল। রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

 

 

 

 

তিনি জানান, ২০১৯ সালের ৩ আগস্ট বগুড়ার একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর এডিট করা অশ্লীল ছবি পাঠানো হয়। মেয়েটিকে অশ্লীল প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং দেখা করতে বলা হয়। পরে মেয়েটির কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে অশ্লীল ছবি ভাইরাল করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এর কিছুদিন পর আপত্তিকর ছবি ছাড়া হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।

 

 

 

 

 

আইনজীবী ইসমত আরা আরও জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। পরে পুলিশের তদন্তে এই তিন তরুণের সম্পৃক্ততা বেরিয়ে আসে। তাই পুলিশ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে আদালত বাদী, ভিকটিমসহ নয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মামলার রায় ঘোষণা করলেন।

 

 

 

 

আদালত একটি ধারায় প্রত্যেককে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন। অন্য আরেকটি ধারায় প্রত্যেককে আরও তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং তিন লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন। সাজা একটার পর একটা কার্যকর হবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন। পরে তাঁদের রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের সংবাদটি শেয়ার করুন

Discover more from UttorbongoProtidin.Com 24/7 Bengali and English National Newsportal from Bangladesh.

Subscribe to get the latest posts to your email.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *