এবার বিসিবির পরিচালক হতে চান রাজশাহীর পাইলট
এবার বিসিবির পরিচালক হতে চান রাজশাহীর পাইলট

এবার বিসিবির পরিচালক হতে চান রাজশাহীর পাইলট

Rajshahi_Pet_Care
উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের সংবাদটি শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টার। উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: স্থবির প্রায় রাজশাহী অঞ্চলের ক্রিকেটকে গোটা দেশের সামনে রোল মডেল হিসেবে দাঁড় করাতে চান খালেদ মাসুদ পাইলট। পরিচালক পদে প্রার্থিতা করতে মনোনয়ন পত্র তোলার পর এমনটাই জানিয়েছেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার এই কাউন্সিলর। আর্থিক প্রনোদনা সম্ভব না হলেও নির্বাচিত হলে তৃণমূলের একাডেমিগুলোকে লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সাবেক এই অধিনায়কের। বৃহত্তর স্বার্থের কথা বিবেচনা করে কাউন্সিলরদের যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পাইলট।

এই তো সেদিনও ফার্স্ট ক্লাস মর্যাদার জাতীয় ক্রিকেট লিগে নিজ বিভাগের অধিনায়ক হিসেবে দলকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়েছিলেন পাইলট। ২০০৫-০৬ সালে প্রথম ট্রফির স্বাদ পাওয়া রাজশাহীকে ২০০৮-০৯ থেকে ২০১১-১২; টানা ৪ বার চ্যাম্পিয়ন করেছেন। তবে ২২ গজে উত্তরাঞ্চলের সোনালী দিনগুলো এখন অতীত। বিভাগের আট জেলার বেশিরভাগেই নিয়মিত হয় না কোনো লিগ। ক্রিকেটার থেকে আম্পায়ার, সংশ্লিষ্ট সবাই পড়েছেন শুভঙ্করের ফাঁকিতে।

সাদা পোশাকটা তুলে রাখলেও, ক্রিকেটের প্রয়োজনে সাদা পাঞ্জাবীতে ক্রিকেট বোর্ডে হাজির পাইলট। একটা সময় তাকে দু’হাত ভরে দিয়েছে ক্রিকেট  এবার ভালোবাসার প্রতিদান দেবার পালা। আগে বিসিবিতে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা না থাকলেও দায়িত্বশীলদের গা ছাড়া ভাব, গায়ে জ্বালা ধরিয়েছে। তাই নিজ অঞ্চলের ক্রিকেট কালচারকে বিশ্বমানের গড়ে তুলে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান পরিচালক পদপ্রার্থী।

খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতে আমি দেখেছি, ক্রিকেট নিয়ে কারোরই কোনো সুনির্দিষ্ট চিন্তা-ভাবনা নেই। আমি চাই এমন একটা পরিকল্পনা তৈরি করতে যাতে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবানদের তুলে আনা যায়। এ বিষয়ে অন্য দেশগুলো কিভাবে কি করছে সেটাও দেখবো।’

মফস্বল আর জেলা শহরের নাম না জানা একাডেমি থেকে হাতেখড়ি নিয়ে ধীরে ধীরে ক্রিকেটাররা উঠে আসেন বড় মঞ্চে৷ ব্যাটার-বোলারদের ভীতটা গড়া হয় যেখানে, সেই তৃণমূলের সংগঠকরা তো ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ান। বিসিবি’র কিছুটা আন্তরিকতা পেলে সেই প্রক্রিয়াটা হবে আরও ফলপ্রসূ। বিশ্বাস পাইলটের।

তিনি বলেন, আমাদের ক্রিকেট বোর্ড মোটামুটি প্রস্তুত করা ক্রিকেটারকেই পায়। অথচ এর আগে এই ক্রিকেটার কোনো না কোনো একাডেমিতে অনুশীলন করেছে। আর তাই সেই একাডেমিগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে না হলেও অন্তত লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়া উচিত।

অদৃশ্য প্যানেলের দিকে না ঝুঁকে নিজ অঞ্চলের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে কাউন্সিলরদের ভোটাধিকার প্রয়োগে সুবিবেচক হওয়ার আহ্বান টাইগারদের সাবেক এই অধিনায়কের।

খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, ‘কাউন্সিলরদের দেশের স্বার্থের কথা সবার আগে বিবেচনা করে যোগ্য ব্যক্তিকেই ভোট দেওয়া উচিত।’


উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের সংবাদটি শেয়ার করুন

Discover more from UttorbongoProtidin.Com 24/7 Bengali and English National Newsportal from Bangladesh.

Subscribe to get the latest posts to your email.