Argentina vs France

Breaking শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে ৩৬ বছর পর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: দুর্দান্ত ম্যাচের অবসান হল টাইব্রেকারে। ৪-২ ব্যবধানে টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপ নিয়ে গেল ফ্রান্স। বিশ্বকাপ ফুটবল ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেও ট্র্যাজিক হিরো থাকতে হল এমবাপেকে। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে রোমাঞ্চ ছড়িয়ে টাইব্রেকারে (৪-২) জিতে তৃতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ১০৮ মিনিটে গোল করে দলকে দ্বিতীয় দফায় এগিয়ে নেন মেসি। এরপর মাত্র ১০ মিনিট ব্যবধানে ডি বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল হলে পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। পেনাল্টি থেকে গোল করে হ্যাটট্রিকপূর্ণ করার মধ্য দিয়ে খেলায় ফের সমতায় ফেরান এমবাপ্পে। পেনাল্টি থেকে গোল করেই রিদম ফিরে পায় ফ্রান্স। মাত্র ২ মিনিটেই এলোমেলো আর্জেন্টিনা। ২ গোল করে ৭৯ মিনিট এগিয়ে থেকেও দুই মিনিটে ২ গোল খেয়ে বসে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। পেনাল্টি থেকে গোল করার মাত্র ১ মিনিট ব্যবধান গোল করে ফ্রান্সকে (২-২) সমতায় ফেরান কিলিয়ান এমবাপ্পে।  
Rajshahi_Pet_Care
that's why argentina can win the world cup

যে কারনে বিশ্বকাপ জিততে পারে আর্জেন্টিনা

আন্তর্জাতিক ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: আগামী ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। কাতারে হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপে যথারীতি ফেবারিটদের তালিকায় আছে আর্জেন্টিনা। মোটামুটি সবাই নিশ্চিত, এবারই শেষবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলবেন লিওনেল মেসি। কখনো বিশ্বকাপ না জেতা মেসি কী ভাগ্যের গেরো খুলতে পারবেন? গত বছর কোপা আমেরিকা জিতে ২৮ বছরের শিরোপাখরা ঘোচানো আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা আশাবাদী, এবার বিশ্বকাপ-খরাটাও ঘুচবে। এমন কোন কোন কারণ সমর্থকদের এমন আশাবাদী করে তুলছে? দেখে নেওয়া যাক! লিওনেল মেসি :: ২০২২ সালে এসে দলে লিওনেল মেসি থাকার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা বাতুলতা। ফর্মে থাকলে দলের জন্য মেসি যে কত বড় সম্পদ, এ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। গত দেড় দশকে ক্লাবের হয়ে মেসি যা করেছেন, জাতীয় দলের হয়ে ঠিক সেভাবে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন কি না—বছরখানেক আগেও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটাই ছিল। গত বছর কোপা আমেরিকা জিতে সংশয়বাদীদের সে প্রশ্নও থামিয়ে দিয়েছেন। বাকি এখন শুধুই বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ জেতার জন্য মেসি যে কতটা ব্যাকুল, সেটা তাঁর খেলার ধরন দেখলেও বোঝা যায়। আগে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে আক্রমণভাগের দায়িত্বটা ঠিকঠাক পালন করলেও, সেভাবে প্রেসিং করতে চাইতেন না। এখন প্রয়োজনে মাঝমাঠে নেমে প্রতিপক্ষকে প্রেস করতেও দেখা যায় মেসিকে। মেসিরও সৌভাগ্য, আগে যেমন আর্জেন্টিনার অন্যান্য খেলোয়াড়েরা মেসির পায়ে বল দেখলেই দলীয় রসায়নের কথা ভুলে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকত, এখন সেসব হয় না। মেসিকে নিচে নামতে দেখলে প্রতিপক্ষ ডিবক্সে লাওতারো মার্তিনেজ, আনহেল দি মারিয়া, নিকোলাস গঞ্জালেস, আলেহান্দ্রো গোমেজদের মধ্যে কারও না কারওর উপস্থিতি থাকেই। ফলে মেসি নেমে গেলে ওপরে উঠে গোল করার জন্য কে থাকবেন—সেটা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না আর্জেন্টিনাকে। যা মেসিকে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে আগের চেয়ে আরও বেশি নির্ভার করেছে। আর মেসি নির্ভার থাকলে যে আন্তর্জাতিক শিরোপার খরাও ঘোচানো যায়, সেটা কোপা আমেরিকা আর লা ফিনালিসিমা জিতেই প্রমাণ করেছে আর্জেন্টিনা।