rajshahi-dc-shamim-ahmed
রাজশাহী মহানগরীর কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা অক্সিজেনের সিলিন্ডার নিয়ে রিকশা চালানো সেন্টুর পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদ

অবশেষে রিক্সা চালক সেন্টুর পাশে দাঁড়ালেন রাজশাহীর ডিসি শামীম

Rajshahi_Pet_Care
উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের সংবাদটি শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: রাজশাহী মহানগরীর কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা অক্সিজেনের সিলিন্ডার নিয়ে রিকশা চালানো সেন্টুর পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদ। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে ডিসি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গিয়ে সেন্টুর সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় মাইনুর জামান সেন্টু ডিসিকে জানান, তিনি দীর্ঘ সাত বছর থেকে ফুসফুসের সমস্যার কারণে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছেন। 

 

শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে চিকিৎসক তাকে Oxygen Concentrator মেশিনটি কিনতে বলেছেন। এই মেশিন ছাড়া তার পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব না। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই এ মেশিনটির প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি।এ সময় ডিসি শামীম আহমেদ বলেন, রিকশাচালক সেন্টুর চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় জেলা প্রশাসন বহন করবে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অক্সিজেন কনসেনট্র্যাটর মেশিনটি সবচেয়ে আগে প্রয়োজন। তাই এই মেশিনটা তাকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। হাসপাতাল থেকে রিলিজ নেওয়ার পরে তার অন্যান্য সমস্যা শুনে সমাধান করা হবে।

 

সেন্টুকে মেডিকেল থেকে রিলিজ (ছুটি) দিলেই জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে ডেকেছেন ডিসি। সেখানে তার সমস্যার কথা শুনে সমাধান করে দেওয়া হবে বলেও সেন্টুকে আশ্বাস দেন ডিসি শামীম আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন-  জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সালাহ উদ্দীন আল ওয়াদুদ, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (গোপনীয় শাখা) শামসুল ইসলাম।

 

প্রসঙ্গত, সেন্টু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১২ নম্বর বেডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত দেড় মাসে তিনি তিনবার রামেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সর্বশেষ গত পাঁচ মাস থেকে তার প্রতিদিন তিনটি অক্সিজেনসহ ওষুধ লাগে। তিনি রিকশা চালিয়ে নিজের অক্সিজেন ও সংসার চালানোর টাকা উপার্জন করেন।


উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের সংবাদটি শেয়ার করুন

Discover more from UttorbongoProtidin.Com 24/7 Bengali and English National Newsportal from Bangladesh.

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *