পাঠ্যপুস্তকে সুপরিকল্পিতভাবে ইসলামবিরোধী বিষয়বস্তুর অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়েছে

উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের সংবাদটি শেয়ার করুন

ষ্টাফ রিপোর্টার || উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: পাঠ্যপুস্তকে সুপরিকল্পিতভাবে ইসলামবিরোধী বিষয়বস্তুর অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ 

 

 

 

পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষা কারিকুলাম থেকে ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সকল বিষয় বাদসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। অন্য দাবিগুলো হলো –  ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষা আইন ২০২৩ (খসড়া) প্রণয়ন করা যাবে না, পঞ্চগড়ে কাদিয়ানিদের সালানা জলসা বন্ধ এবং তাদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে, অবিলম্বে মাওলানা মামুনুল হকসহ সকল কারাবন্দি আলেমদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে ও ২০১৩ সাল থেকে অদ্যাবধি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের নামে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং হেফাজতের ১৩ দফা বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। এছাড়া ট্রান্সজেন্ডার মতাদর্শ ও বর্তমান জাতীয় শিক্ষা কারিকুলামে জাতির ভবিষ্যৎ শীর্ষক সেমিনার করার ঘোষণা দেয়া হয়।

 

 

 

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত ফেনী সমিতি মিলনায়তনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগের পাশাপাশি এসব দাবি ও কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনটির নেতারা। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, রাষ্ট্রের নাগরিকদের ওপর দেশের জাতীয় শিক্ষাক্রমের প্রভাব থাকে। নাগরিকদের চিন্তাচেতনা, ধ্যানধারণা ও নীতি-নৈতিকতা গঠনে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার প্রভাবের বিষয়টি অনস্বীকার্য। আলেম সমাজের দাবি থাকে, জাতীয় শিক্ষাক্রম কোনোভাবেই ইসলামি চিন্তাচেতনার বিপরীত না হয়। 

 

 

 

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ইসলামোফোবিয়ায় আক্রান্ত এক শ্রেণির ধর্মবিরোধী গোষ্ঠী দেশের মুসলিম প্রজন্মের মন থেকে ইসলামী ধ্যান-ধারণাকে মুছে দেয়ার নীল নকশা বাস্তবায়নে উঠে পরে লেগেছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রমের অধীনে সংকলিত পাঠ্যপুস্তককে তাদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। 

 

 

ট্রান্সজেন্ডার আইনের প্রসঙ্গে লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষা আইন ২০২৩ (খসড়া) আইনটিকে হিজড়া সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষা আইন মনে করা হচ্ছে। বাস্তবে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ট্রান্সজেন্ডার নামে যে আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে, তা ইসলামের সব বিধানের পরিবর্তন ও বিকৃতি ঘটাবে।

 

 

আইনটিকে ইসলামি শরিয়তের পরিপন্থি উল্লেখ করে এটি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকতে সরকারের প্রতি দাবি জানায় হেফাজতে ইসলাম।  সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মহাসচিব সাজেদুর রহমান, সহ সভাপতি মহিউদ্দিন রাব্বানী প্রমুখ।


উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের সংবাদটি শেয়ার করুন

Discover more from UttorbongoProtidin.Com 24/7 Bengali and English National Newsportal from Bangladesh.

Subscribe to get the latest posts to your email.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *